
ছবি সংগৃহীত
চীনে এক অদ্ভুত ঘটনা নিয়ে বেশ সাড়া পড়ে গেছে সামাজিক মাধ্যমে। চলতি বছরের মার্চ মাসে, গুয়াংশো প্রদেশে এক তরুণী সাহায্য চাইতে কাঁদতে কাঁদতে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করতে থাকেন। তার আর্তনাদ শুনে প্রতিবেশীরা চিন্তিত হয়ে পুলিশে ফোন করেন।
তুরন্ত পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন। কিন্তু তাঁদের সামনেই চমকপ্রদ দৃশ্য—ঘরের মধ্যে সঙ্গমরত অবস্থায় ছিলেন এক দম্পতি। পুলিশকে দেখে দম্পতি আঁতকে উঠেন এবং অবাক হন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, এই কাণ্ড গুয়াংশো প্রদেশের এক আবাসনে। প্রতিবেশীরা ভয় পেয়ে পুলিশে ফোন করায়, পুলিশ দ্রুত সেখানে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। কিন্তু ঘরে ঢোকামাত্রই তাঁরা বুঝতে পারেন যে পরিস্থিতি ছিল একেবারেই আলাদা—তরুণী আসলে বিপদে ছিলেন না, বরং সঙ্গমরত অবস্থায় তার শিৎকার প্রতিবেশীর কানে পৌঁছেছিল।
ঘটনার পর, কিছু সময়ের মধ্যে, এক তরুণ খালি গায়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন, এবং তার পরেই এক তরুণীও এলোমেলো চুলে বাইরে আসেন। তাঁদের মধ্যে আদর করতে গিয়ে তরুণী চিৎকার করেছিলেন, যা প্রতিবেশীদের মনে বিপদের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
এই ঘটনার ভিডিও এবং ছবি দ্রুত চীনের সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একাধিক ব্যক্তি মজা করে লিখেছেন, ‘তরুণের প্রশংসা করতে হয় দেখছি!’ আবার কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, ‘খুবই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।’
এ ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলেও, তার সত্যতা নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে প্রতিবেশীরা সহায়তা করতে গিয়ে বিরক্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। ডেইলি মেইল
ইউ