
সংগৃহীত ছবি
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের সাংগ্রি-লা হোটেলে শুক্রবার বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ড. ইউনূস ও মোদির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তারা আধা ঘণ্টার বেশি সময় কথা বলেন।
এরপর এই বৈঠক নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি। তিনি জানান, ড. ইউনূসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্কের আকাঙ্খার কথা জানিয়েছেন। এসবের পাশাপাশি ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন বিক্রম মিশ্রি।
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে মিশ্রি বলেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পত্র দিয়েছে। তবে হাসিনার প্রত্যর্পণের ব্যাপারে এ মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি বলা তার জন্য ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেন ভারতীয় এই কূটনীতিক।
তিনি আরও বলেন, বৈঠকে মোদি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে একটি ইতিবাচক এবং গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার ভারতের ইচ্ছার ওপর জোর দেন।
বিক্রম মিশ্রি বলেন, মোদি আরও আহ্বান জানিয়েছেন, পরিবেশের ক্ষতি করে এমন যে কোনো বক্তব্য এড়িয়ে চলাই ভালো। সীমান্ত সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং অবৈধ সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের হিন্দুসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
এদিকে বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরা হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম শুক্রবার দুপুরে ওই বৈঠকের পর এ তথ্য জানান।
শফিকুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে।’
//এল//