আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
অপরাধ

যৌতুক না দেওয়ায় নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, মহিলা পরিষদের শাস্তি দাবি

ওমেনআই ডেস্ক : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকায় যৌতুক না দেওয়ায় নির্যাতনের কারণে গৃহবধূর মৃত্যু ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একইসঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংগঠনটি।

আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম এবং সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন দৈনিক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় যে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকায় যৌতুক না দেওয়ায় নির্যাতনের কারণে গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ জেলার মিরপুর উপজেলার কামিরহাটের মহিবুল আলমের মেয়ে। একই জেলার দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া এলাকার জিন্না মোল্লার ছেলে এজাজ আহমেদ বাপ্পির সাথে চার বছর আগে বিয়ে হয় তার। বিয়ের পর থেকেই স্বামী বাপ্পি ও শাশুড়ি কোহিনুর যৌতুক হিসেবে মোটরসাইকেল দাবি করেন। গৃহবধূকে উঠতে বসতেই প্রায় প্রতিদিনই নানা ধরনের কটু কথা শুনতে ও নানা ধরণের শারীরিক- মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে হত। এরই ধারাবাহিকতায় এক পর্যায়ে গত ১ সেপ্টেম্বর স্বামী ও শাশুড়ির নির্যাতনে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ২ সেপ্টেম্বর তাকে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গতকাল সকালে মারা যান।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ যৌতুক দাবি করে গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রূত গ্রেফতার এবং তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তসহ যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এই আইনের অধীনে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।

একইসঙ্গে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য অনুরোধ জানায় সংগঠনটি। এ ধরণের বর্বর, নৈরাজ্যজনক সহিংসতার ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধে আশুকার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকার, প্রশাসনের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

মা/১৬/৯/১৫.৪৯

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close