আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
প্রবাস

নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত বাংলাদেশি চিকিৎসক রুহুল আবিদ

ওমেনআই ডেস্ক : নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন বংশোদ্ভূত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের আলপার্ট মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ।

একইসঙ্গে তার অলাভজনক সংস্থা হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ফর অল (হায়েফা) তার সঙ্গে শান্তি পুরস্কারে মনোনীত হয়েছে।

২০২০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত ২১১ ব্যক্তির মধ্যে ড. রুহুল আবিদ একজন। তাকে মনোনীত করেছে ম্যাসাচুসেটস বিশ্ববিদ্যালয় (ইউমাস)।

ম্যাসাচুসেটস বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জেন-ফিলিপ বেলিউ এই খবর গণমাধ্যমকে জানান।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীরণের চুক্তিতে মধ্যস্থতা করায় শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

রুহুল আবিদ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ডিএমসি) থেকে এমবিবিএস শেষ করেছেন। পরে জাপানের নাগোয়া ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন। এছাড়া ২০১১ সালে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল থেকে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। তিনি ব্রাউন গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভের একজন নির্বাহী ফ্যাকাল্টি সদস্যও।

ডা. আবিদের প্রতিষ্ঠিত এইচএইএফএ বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে আসছে। বিগত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০ হাজার গার্মেন্টকর্মী ছাড়াও ৯ হাজার আরএমজি কর্মী ও সুবিধাবঞ্চিত নারী এবং দেড় লাখ রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা দিয়েছে।

এখন তারা করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। মূলত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাতে করোনাভাইরাস না ছড়ায় সে বিষয়ে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তারা।

২০১৩ সালে রানা প্লাজায় ধসের পর দেশব্যাপী এ খাতের কর্মীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া শুরু করে এইচএইএফএ। এছাড়া ঢাকা, গাজীপুর ও শ্রীপুরেও গার্মেন্ট কর্মীদের চিকিৎসা দিচ্ছে আবিদের সংগঠনটি।

এইচএইএফএ মূলত উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তস্বল্পতা, যক্ষ্মা ও প্রসবজনিত ঝুঁকি নিরসনে কাজ করে আসছে।

২০১৬ সালে এইচএইএফএ’র ডিজিটাল উদ্ভাবন ছিল ‘নিরোগ’ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই ব্যবস্থা দিয়ে সেবা দিচ্ছে তারা। এর মাধ্যমে সংগৃহীত রোগীর তথ্য স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিনিময় করায় তাদের সঠিক সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

আর সর্বশেষ ছয় মাসে মহামারি মোকাবিলায় কাজ করছে এইচএইএফএ। এছাড়া ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে ডা. আবিদের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পিপিই ও ১০ হাজার কেএন-৯৫ মাস্কের জন্য তহবিল সংগ্রহ করেন।

ডা. আবিদ এবং তার প্রতিষ্ঠান ২০১৮ সালে কানাডায় ‘স্টার ইন গ্লোবাল হেলথ’ খেতাবে ভূষিত হন। তিনি এইচএইএফএ-তে কাজ করার জন্য কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা বা সম্মানী গ্রহণ করেন না বলে জানা গেছে।

মা/১৫/৯/২০.৫৬

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close