আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
বিনোদন

সাজিদ আমাকে নগ্ন হতে বলেছিলেন : পউলা

বিনোদন ডেস্ক : বলিউড নির্মাতা সাজিদ খান। ২০১৮ সালে বলিউডে ‘মি টু’ আন্দোলন শুরু হলে এই নির্মাতার বিরুদ্ধে তিন জন নারী হেনস্তার অভিযোগ করেন। এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন ডিম্পল পাল নামের এক মডেল। তবে তিনি পউলা নামেই পরিচিত।

১০ সেপ্টেম্বর ফটো শেয়ারিং সাইট ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে তার সঙ্গে হেনস্তার ঘটনা প্রকাশ করেন পউলা। তিনি লেখেন, ‘মি টু আন্দোলনের সময় অনেকেই সাজিদ খানের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, কিন্তু আমি সাহস করতে পারিনি কারণ অন্যদের মতো আমার কোনো গডফাদার ছিল না এবং পরিবার চালানোর মতো অর্থও ছিল না। এজন্য আমাকে চুপ থাকতে হয়েছে। এখন আমার মা-বাবা আমার সঙ্গে থাকেন না। আমি নিজে আয় করি। এখন আমি সাহস করে বলতে পারি, আমার বয়স যখন ১৭ সাজিদ আমাকে হেনস্তা করেছেন। আমার সঙ্গে নোংরা কথা বলেছেন, আমাকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেছেন। শুধু তাই নয়, হাউসফুল সিনেমায় সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি আমাকে নগ্ন হতে বলেছিলেন।’

এই ঘটনা তার ওপর অনেক বড় প্রভাব ফেলেছে বলে জানান পউলা। তিনি বলেন, ‘তিনি কত মেয়ের সঙ্গে এরকম করেছেন সৃষ্টিকর্তাই জানেন। আমি করুণা পাবার জন্য এখন এগুলো বলছি না। আমি বুঝতে পেরেছি, যখন ছোট ছিলাম এবং কোনো কথা বলতে পারিনি এটি আমার ওপর কতটা প্রভাব ফেলেছে। কিন্তু এখনি বলার উপযুক্ত সময়, তাই নয়?’

সাজিদের শাস্তি দাবি করে পউলা লেখেন, ‘শুধু কাস্টিং কাউচ নয়, একজনের স্বপ্ন নষ্ট করার দায়ে এই ধরনের মানুষকে কারাগারে পাঠানো উচিত। কিন্তু আমি থেমে যাইনি। কিন্তু আমি যে ভুলটি করেছি তা হলো এটি নিয়ে কোনো কথা বলিনি।’

তার এই পোস্টের ক্যাপশনে এই মডেল লিখেছেন, ‘আমার মনে হয়েছে গণতন্ত্রের মৃত্যু ও বাক স্বাধীনতা বন্ধ হওয়ার আগে আমার এটি বলা উচিত।’

পউলার এই পোস্টের পর অনেকেই তার পক্ষে কথা বলছেন। সাজিদকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। টুইটারে ‘হ্যাশট্যাগ অ্যারেস্ট সাজিদ খান’ ট্রেন্ডিংও শুরু হয়েছে।

এর আগে ‘মি টু’ আন্দোলনের সময় সাজিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তাকে ‘হাউসফুল ফোর’ সিনেমার পরিচালকের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়া হয়। এছাড়া ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ডিরেক্টরস অ্যাসোসিয়েশন থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন সাজিদ।

সি/১১/৯/১১.১৪

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close