আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
আন্তর্জাতিক

দুই সন্তানের মায়ের হাতেই তৈরি হয়েছে ব্যালিস্টিক মিসাইল

ওমেনআই ডেস্ক : যুদ্ধক্ষেত্রে লড়াই করা হাজারো জওয়ানের কথা আমরা হরহামেশাই শুনি। কিন্তু জানেন কি ভারতের ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরির গল্পের পিছনে রয়েছে এই নারী, যিনি বিএমডি বলে পরিচিত।

ওই নারীর নাম শশীকলা সিনহা। ছোট থেকেই পড়াশোনায় বেশ ভালো ছিলেন। ক্লাসের অন্যান্য ছাত্রছাত্রীদের তুলনায় বেশ কিছুটা এগিয়েই ছিলেন তিনি। তার বাবা বলেছিলেন— ‘অন্যরা মুখস্থ করে, তোমাকে অঙ্কটা বুঝতে হবে।’ সেটাই করতেন শশীকলা।

চাকরি পেয়েছিলেন ডিআরডিও-তে। বছর খানেক পর সেই চাকরি ছেড়ে পড়তে যান আইআইটি খড়গপুরে। এরপর তিনি সোসাইটি অব মাইক্রোওয়েব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কাজ শুরু করেন। কিন্তু সন্তান হওয়ার সময় সেই কাজ ছেড়ে দিতে হয় তাকে। ১৯৮৯ সালে জন্ম নেয় তার প্রথম কন্যাসন্তান পবিত্র। শশীকলার বাবা ছিলেন আর্মি ইঞ্জিনিয়ার, স্বামী ছিলেন নেভিতে। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় হারাতে হয় স্বামীকে। দুই মেয়েকে নিয়ে একা হয়ে পড়েন তিনি।

এরপর ফের যাত্রা শুরু হয় ডিআরডিও’র সঙ্গে। কাজ শুরু করেন রিসার্চ সেন্টার ইমারতে। এই ল্যাবেই মিসাইল সিস্টেম, গাইডেড ওয়েপন নিয়ে হয় গবেষণা। যখন তিনি ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে কাজ শুরু করেন, তখন ভারত এই ধরনের মিসাইল আমদানি করতেই ব্যস্ত। কেউ তাকে বিশেষ সহযোগিতা করেনি। অ্যাডভান্স কোডিং আর প্রোগ্রামিং করে অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে মরিয়া হয়ে ওঠেন শশীকলা। প্রবল পরিশ্রম করেন। তার পুরস্কার স্বরূপ ২০০৭ সালে তিনি ‘অগ্নি অ্যাওয়ার্ড’ পান।

২০১২ তে ভারতের ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স প্রজেক্টের ডিরেক্টর হন তিনি। আর শশীকলাই তিনি, যার হাত ধরে ভারত জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের সেই সব দেশগুলোর সঙ্গে যাদের কাছে রয়েছে নিজস্ব ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স।

মা/১০/৯/১৩.৫৯

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close