আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
লাইফ স্টাইল

ঘরোয়া উপায়ের সাহায্যে ধূমপান কমবে সহজেই

ওমেনআই ডেস্ক : ধূমপান যারা করেন তাদের করোনা হলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায়। কারণ করোনাভাইরাস শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে। এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস। ফলে দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট।

বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার বিশেষজ্ঞের মতে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ হলে অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীর অবস্থা জটিল হতে পারে প্রায় ১৪ গুণ। ধূমপায়ীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি। কারণ ধূমপান করার ফলে যেমন তাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

একজন ধূমপায়ী যখন দোকান থেকে সিগারেট কিনে খান, তখন তিনি কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। কিনে খাওয়া সিগারেটের মাধ্যমে করোনা ছাড়াতে পারে।

বিশ্বে ধূমপায়ীদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আর ধূমপানের এই নেশা ছাড়তে চেয়েও বার বার ব্যর্থতার মুখ দেখতে হয়েছে অসংখ্য মানুষকে। ধূমপান ছাড়ার পর ছয়মাস, এক বছর বা বছর দুই তিনেক কাটানোর পরও ফের ধূমপানের আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছেন অনেকে।

সম্প্রতি কয়েকটি সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে যে, বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ধূমপায়ীদের সংখ্যাই বেশি। করোনা আতঙ্কের আবহে সুরক্ষিত থাকতে তাই ধূমপানের অভ্যাস কাটানো অত্যন্ত জরুরি।

বাজার চলতি নেশা ছাড়ানোর পদ্ধতিগুলোর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কার্যকরী হয় না। কিন্তু এমন কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যা ধূমপানের নেশা পাকাপাকি ভাবে ছাড়াতে খুবই কার্যকরী। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী কী ঘরোয়া উপায়ে ধূমপানের আসক্তি থেকে মুক্তিলাভ সম্ভব।

মধু
মধুর বেশ কিছু ভিটামিন, উত্সেচক এবং প্রোটিন শরীর থেকে নিকোটিন বের করে দেওয়ার পাশাপাশি সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণ মধু সেবনের মাধ্যমে ধূমপান ছাড়তে কোনও অসুবিধাই হয় না।

আদা
ধূমপানের নেশা ছাড়াতে চাইলে আদার ব্যবহার করা যেতে পারে। আদা চা বা কাঁচা আদা নিয়মিত খেলে ধীরে ধীরে ধূমপানের ইচ্ছে কমে যায়। ধূমপানের ইচ্ছে হলেই যদি এক টুকরো কাঁচা আদা মুখে দেওয়া যায় তাহলে ধূমপানের ইচ্ছা প্রশমিত হবে অনেকটাই।

মূলা
১ গ্লাস মূলার রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে দিনে দুইবার করে নিয়মিত খেলে ধূমপানের ইচ্ছা একেবারে কমে যায়। শুধু ধূমপানের অভ্যাসই নয়, যে কোনও ধরনের নেশামুক্তির ক্ষেত্রে আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা মূলার উপরই ভরসা রাখেন।

মরিচের গুঁড়া
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নানাভাবে যদি নিয়মিত মরিচের গুড়া খাওয়া যায়, তাহলে ফুসফুসের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ধূমপান করার ইচ্ছাও কমতে থাকে। এক গ্লাস পানিতে অল্প পরিমাণ (এক চিমটে) মরিচর দিয়ে ফেলে সেই পানিটি পান করা যায়, সেক্ষেত্রে দারুন উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আঙুরের রস
ধূমপানের ফলে শরীরের ভিতরে নিকোটিনের মাধ্যমে জমতে থাকা টক্সিন বেরিয়ে গেলেই ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, ধূমপানের ইচ্ছাও কমতে শুরু করে। আর আঙুরের রস ফুসফুসকে টক্সিন-মুক্ত করতে সাহায্য করে।

সা/৬/৯/২.১৭

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close