আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
জাতীয়স্লাইড

‘ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলা পরিকল্পিত’

ওমেনআই ডেস্ক : উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলা পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ)।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হেলালুদ্দীন আহমেদ এ দাবি করেন।

তিনি বলেন, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ইউএনও ওয়াহিদার ঘরে হামলাটি ছিল পরিকল্পিত। এটি কোনো চুরির ঘটনা নয়। কারণ দুর্বৃত্তরা কোনো জিনিস চুরি করেনি বা খোয়া যায়নি। এটি একটি পরিকল্পিত আক্রমণের ঘটনা এবং এর সঙ্গে আরও অনেক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। এ সময় তিনি সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিরাপত্তায় ব্যাটালিয়ন আনসার নিয়োগের দাবি করেন।

হেলালুদ্দীন বলেন, কোনো কোনো মহল ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য বিচ্ছিন্ন ও চুরির ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়ার অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

ওয়াহিদাকে ‘সৎ ও নির্ভীক কর্মকর্তা’ অভিহিত করে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল বেআইনি তদবিরে ব্যর্থ হয়ে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

সংগঠনের মহাসচিব ও জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, ‘আমরা দেখেছি, ইউএনও ওয়াহিদা ইদানিং কিছু উচ্ছেদ করেছেন। আরও কিছু উচ্ছেদ করার জন্য কিছু লোকজন তার ওপর সংক্ষুব্ধ হয়েছেন। এসব কারণে প্রভাবশালী কেউ হয়ত তার ওপর ক্ষিপ্ত হতে পারেন। সেটির বহিঃপ্রকাশ এভাবে হতে পারে বলে আমরা মনে করি’।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এটি তদন্ত করছে, সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে উদ্দেশ্য করে আমরা কিছু বলতে পারছি না। তদন্ত কার্যক্রম যখন চলে, তখন যদি আমরা সুনির্দিষ্টভাবে কথা বলি, তাহলে কিন্তু তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

‘আমাদের প্রান্তিক পর্যায়ের যে কর্মকর্তা, ইউএনও সাহেব, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করে থাকেন। মোবাইল কোর্ট থেকে শুরু করে আইনের প্রতিটি বিষয় উনি দেখভাল করে থাকেন, যেন কোথাও আইনের ব্যত্যয় না হয়। কোথাও আইনের ব্যত্যয় করে যদি কিছু আবদার করা হয়, তখন অনেকে (ইউএনও) তাদের বিরাগভাজন হন জানান সচিব।’

বাংলাদেশ অ্যাডমিনস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

এ সময় মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক রহিমা খাতুনের মামলার প্রসঙ্গে হেলালুদ্দীন বলেন, আপনারা শুনেছেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুনের বিরুদ্ধে কতিপয় অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ও একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির প্ররোচনায় ফৌজদারি আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিআইবির কাছে প্রেরণ করেছেন।

‘অসংলগ্ন কথাবার্তায় ভর্তি এরকম একটি আর্জির ভিত্তিতে একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে মামলা নজিরবিহীন এবং দুর্ভাগ্যজনক। যদি মামলা গ্রহণ করা হয়, তাহলে জেলা প্রশাসন কী করে তার দায়িত্ব পালন করবে? আমরা অবিলম্বে এ মামলাটি সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহারসহ যিনি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি, বলেন অ‌্যাসোসিয়েশনের সভাপতি।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close