আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
জাতীয়

ইউএনওদের নিরাপত্তায় সশস্ত্র আনসার মোতায়েন

ওমেনআই প্রতিবেদক : সারা দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) বাসভবনে নিরাপত্তায় চারজন করে আনসার সদস্য ও একজন করে প্লাটুন কমান্ড্যান্ট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনার পর এমন পদক্ষেপ নেয়া হলো।

বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে যশোরের ৮ উপজেলার ইউএনওদের সরকারি বাসভবনে আনসার-ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

যশোর জেলার আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা কমান্ড্যান্ট ড. লুৎফর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ইউএনওদের বাসায় নিরাপত্তার জন্য আট উপজেলায় ৩২ জন আনসার সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার আনসার সদস্যরা নিরস্ত্র অবস্থায় থাকলেও শুক্রবার থেকে তাদের হাতে অস্ত্র দেয়া হয়েছে।

দেশের উপজেলা কার্যালয়গুলোতে আনসার নিয়োগের বিষয়টি শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূলক কুমার মণ্ডলও সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান জানিয়েছেন, শুক্রবার সকাল থেকে তার বাসভবনে একজন প্লাটুন কমান্ড্যান্টসহ ৫ আনসার সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

মেহেন্দিগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিজুস চন্দ্র দে জানিয়েছেন, জেলা কমান্ড্যান্ট থেকে আনসার নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হয়েছে। এখনও তারা যোগদান করেননি। এছাড়া মুলাদি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে এখন পর্যন্ত আনসার সদস্য এসে পৌঁছায়নি বলে ইউএনও পিজুস চন্দ্র দে জানিয়েছেন।

এছাড়া বরগুনা জেলার ছয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিরাপত্তায় ২৪ জন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা আনসার ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবু সোলায়মান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় বরগুনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনায় অস্ত্রধারী আনসার সদস্য মোতায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে গত বুধবার রাতে ভেন্টিলেটর দিয়ে বাসায় ঢুকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীর হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত ওয়াহিদা এখন ঢাকার জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা শঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা। হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত দুই যুবলীগ নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close