আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
জাতীয়

পিপিই ও মুখোশ পরা ছিল ইউএনও ওয়াহিদার হামলাকারীরা

ওমেনআই ডেস্ক : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর গভীর রাতে হামলার অভিযানে অংশ নেয় দু’জন। তবে হামলাকারীরা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে তারা হামলা চালিয়েছে, তা নিশ্চিত হতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঘোড়াঘাট ইউএনওর বাসভবনের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, হামলায় অংশ নেয়া দুজনের মধ্যে একজন ছিল মুখোশ ও অন্যজন পিপিই (পার্সোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট) পরা। রাতে তারা এক এক করে বাড়িতে প্রবেশ করে এবং ঘটনার পর একই সঙ্গে বের হয়ে যায়।

ভৌগলিক অবস্থানের দিক দিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ক্যাম্পাস ও ঘোড়াঘাট থানার দূরত্ব প্রায় ৫ কিলোমিটার হওয়ায় দুস্কৃতকারীরা নির্বিঘ্নে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে এমন কথা নিশ্চিত করেন, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার ওয়াদুদ ভুইয়া ও পুলিশের রংপুর জোনের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য। এখন সিসি ফুটেজ ধরেই এগোচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

উল্লেখ্য, বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে নিজের সরকারি বাসভবনে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর অবস্থায় রংপুর মেডিকেল হাসপাতাল থেকে বেলা ১২টা ৪৭ মিনিটে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে একটি হেলিকপ্টার ওয়াহিদা খানমকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তাকে ঢাকায় এনে প্রথমে সিএমএইচে নেয়া হয়ে।

আহত নির্বাহী কর্মকতার নাম ওয়াহিদা খানমের বাবার নাম ওমর আলী। নওগাঁ থেকে মাঝে মাঝে মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা। ওয়াহিদা খানমের স্বামী রংপুরের পীরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত।

ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের ওসি আমিরুল ইসলাম জানান, ঠিক কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের স্বামী রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close