আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
অপরাধ

ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যালকে ৩০ লাখ টাকার জরিমানা

ওমেনআই প্রতিবেদক : ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিপুল পরিমাণে মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী ও রিএজেন্ট পাওয়া গেছে। হাসপাতালটিতে করোনা ইউনিট ও মাইক্রোবায়োলোজি ল্যাব একই সঙ্গে স্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত। এছাড়াও হাসপাতালটিতে একাধিক রোগীর ব্লাড স্যাম্পল একসঙ্গে রাখা হতো বলেও প্রমাণ মিলেছে।

এসব অনিয়মের দায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে এসব অনিয়ম ঠিক করতে আগামী সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে অভিযান শেষে রাজধানীর মৌচাক এলাকায় সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত সাংবাদিকদের একথা জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।

মঙ্গলবার দুপুরে সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালটিতে শুরু হওয়া অভিযানটি বিকাল ৪টার দিকে শেষ হয়। অভিযানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্সও সমন্বিতভাবে অংশ নেয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম বলেন, ‘করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মানা উচিত তা তারা কোনোভাবেই মানছে না। প্রচুর ব্যত্যয় আছে। হাসপাতালের চারটি অস্ত্রোপচার কক্ষে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী পাওয়া গেছে। দেখে মনে হয়েছে এই হাসপাতালে কোনো তদারকি নাই। যে যার মতো চালাচ্ছে।’

তিনি বলেন, এটি শুধু হাসপাতাল নয়, একটি মেডিকেল কলেজও। কিন্তু দেখে মনে হয়না যে এখানে কোনো মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ আছে। এখান থেকে যেসব প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে সবগুলোই ফেইক বলে মনে হচ্ছে।

একজন রোগীর ব্যবহারযোগ্য মেডিকেল সামগ্রী তিনজন রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করার প্রমাণও মিলেছে বলে জানান সারওয়ার আলম।

তিনি বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে যেসব ভুলত্রুটি আছে তা সাত দিনের মধ্যে সংশোধনের সময় দেওয়া হয়েছে। তা না হলে আইনের আশ্রয় নেওয়া হবে। কোভিড-১৯ এর ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম, তা না মানা হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ব্যবস্থা নেবে, প্রয়োজনে বন্ধ করেও দিতে পারে।

সা/২৫/৮/১৯.২৫

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close