আমাদের ওয়েবসাইট www.womeneye24.com আপডেটের কাজ চলছে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত
শিল্প-সংস্কৃতিসাহিত্য

আজ কবি শামসুর রাহমানের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

ওমেনআই প্রতিবেদক : আধুনিক বাংলা কবিতার অমর স্রষ্টা, কবিতার বরপুত্র, বাংলাদেশের প্রধান কবি শামসুর রাহমানের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৬ সালের আজকের এই দিনে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরে সমাহিত করা হয় তাকে।

১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্ম নেওয়া এই কবি জীবনানন্দ-পরবর্তী বাংলা কবিতাকে আধুনিকতার পথে ধাবিত করার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কবি বেঁচেছিলেন ৭৭ বছর। তার জীবনের সাধনা ছিল একটাই- কবিতা। পুরান ঢাকায় বেড়ে ওঠার কারণে নগরজীবনের নানা অনুষঙ্গ ও উপকরণ তুলে ধরেছিলেন কবিতায়।

ষাটের দশকের শুরুর দিকেই তার কবি প্রতিভার বিচ্ছুরণে আলোকিত হতে থাকে সাহিত্যের ভুবন। ‘উনিশ শ’ ঊনপঞ্চাশ’ রচনার মাধ্যমে ১৯৪৮ সালে পদচিহ্ন আঁকেন কবিতার আঙ্গিনায়। এটি প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক সোনার বাংলা পত্রিকায়। সূচনাটা অস্তিত্ববাদী ইউরোপীয় আধুনিকতা দিয়ে হলেও পরে দেশজ সুর ও ঐতিহ্যকে কবিতায় ধারণ করেছেন। পত্রপত্রিকায় লেখা তার চিত্রকল্পময় কবিতার সূত্র ধরে প্রথম গ্রন্থ প্রকাশের আগেই বাংলা কবিতাপ্রেমীদের নজর কাড়েন শামসুর রাহমান।

১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয় কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’। তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ৬৬টি, উপন্যাস ৪টি, প্রবন্ধগ্রন্থ ২টি, অনুবাদ কবিতা ৩টি, অনুবাদ নাটক ৩টি।

সাহিত্যে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন স্বাধীনতা পদক ও একুশে পদক। এ ছাড়া তিনি আরও পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার, জীবনানন্দ পুরস্কার, নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক, আবুল মনসুর আহমেদ স্মৃতি পুরস্কার ও আদমজী সাহিত্য পুরস্কার। সাংবাদিকতার জন্য পেয়েছেন মিতসুবিসি পুরস্কার। ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে।

বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনা সংক্রমণের কারণে এবার কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে থাকছে না কোনো আয়োজন। তবে বরাবরের মতো পরিবারের পক্ষ থেকে থাকছে ঘরোয়া আয়োজন।

সা/১৭/৮/১২.৩৭

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close