স্লাইডজাতীয়

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল, পারাপারে শত শত গাড়ি!

ওমেনআই প্রতিবেদক : শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ১০ ফেরি ৮৭ লঞ্চ ও ৩ শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে। প্রবল স্রোতের কারণে দূর্ঘটনা এড়াতে গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে আবারও ফেরি চলাচল শুরু হয়।

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ৩টি ফেরি ঘাট দিয়ে ১৬টি ফেরির মধ্যে ১০টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ৩ নম্বর রোরো ফেরি ঘাটটি গত ৩ দিন আগে পদ্মায় বিলীন হয়েছে। প্রবল স্রোতের কারণে দূর্ঘটনা এড়াতে ৬টি ডাম্প ফেরি বন্ধ রাখা হয়েছে।

ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চ ও স্পিডবোটগুলো নদী পার হচ্ছে। নিয়ম ভেঙ্গে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা বাড়ি ফিরছেন। এদিকে করোনার সংক্রমণ রোধে লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাট এলাকায় ৪টি পানির ট্যাংক ও একটি স্প্রে-মেশিন বসানো থাকলেও তেমন কাজে আসছে না। ট্যাংকে নেই পানি। নেই সাবান। স্প্রে-মেশিনটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। স্বাস্থ‌্যবিধি না মেনেই যাত্রীরা ঘাট পাড়ি দিচ্ছে।

মাওয়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সহকারী পরিচালক শাহাদাত হোসেন জানান, আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করছি। সকাল থেকেই যাত্রীর চাপ বেড়েছে। আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। স্রোতের কারণে লঞ্চ কাঁঠালবাড়ি গিয়ে ফেরত আসতে সময় বেশি লাগছে। যাত্রী যাতে নিরাপদে নদী পার হতে পারে সে বিষয়ে আমরা চেষ্টা করছি। মাস্ক পরিধান বাধতামূলক করা হয়েছে। মাস্ক ছাড়া লঞ্চে ওঠায় নিষেধাজ্ঞা আছে। তবে যাত্রীদের মধ‌্যে সচেতনতা কম।

মাওয়া ট্রাফিক ইনচার্জ (টিআই) মো. হিলাল উদ্দিন জানান, আজ গাড়ি ও যাত্রীচাপ কিছুটা বেড়েছে। যাত্রীদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেদিক খেয়াল রেখেই বিভিন্ন দপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।

সামি/৩১/৭/১৪.৫০

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close