লাইফ স্টাইলরান্নাঘর

কেন স্বাস্থ্য সম্মত মাংসের মসলায় রান্না করবেন

জিনাত সুলতানা
আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী গরুর দুধে ফ্যাট ইন মিল্ক থাকতে হয় ৩ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি। সলিড নট ফ্যাট থাকতে হবে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশের বেশি তাহলে সে গরুর দুধ স্বাস্থ্য সম্মত ও খাওয়ার উপযোগী হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। তদ্রূপ গরম মসলা (গড় মসলা) মিক্স করার সময়ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হয় যেখানে আনুপাতিক হারে গরম মসলার প্রত্যেকটার উপকরণ থাকতে হয় অন্যথায় সে মসলা খাওয়ার অনুপযোগী হিসেবে গণ্য করা হয়।

কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডতো দূরের কথা মসলার আনুপাতিক হারেরও তোয়াক্কা না করে টেস্ট বৃদ্ধি করার জন্য অস্বাস্থ্যকর সোডিয়াম গ্লুটামেট ও নিম্নমানের অস্বাস্থ্যকর মসলা উপকরণ দিয়ে গরম মসলাকে গুরুপাক খাবারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছি।
তারফলে পুষ্টির গুণগত মান ছাড়া মাংস রান্নায় স্বাদ পাচ্ছি ঠিকই কিন্তু তীব্র মাথা ব্যথা, ডায়াবেটিস, অসাড়তা, দৃষ্টি শক্তি কমে যাওয়া, বাচ্চাদের খাবার খেতে অনিহা ও মেধা বিকাশে বিঘ্ন ঘটে, মাথা ঘোরা, ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব ও পেট ব্যথাসহ নানা রকম শারীরিক জটিলতার স্বীকার হচ্ছি।

এসমস্ত কিছু বিবেচনা করে রন্ধন মাংসের মসলার প্রতিটা উপকরণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে মিক্স করা হয়েছে যাতে কোনরকম শারীরিক সমস্যা দেখা না দেয়। রন্ধন মাংসের মসলায় প্রত্যেকটা মসলা উপকরণ খুবই কোয়ালিটিপূর্ণ ও স্বাস্থ্য সম্মত যার ফলে রন্ধন মাংসের মসলা ব্যবহার করতে পারেন অনায়াসে এবং ব্যবহারের পর কোন রকম শারীরিক জটিলতার সুযোগ নেই বললেই চলে।

আমাদেরকে মাংস রান্নার ভ্রান্ত ধারণা অতিরিক্ত মসলা ব্যবহার করে গুরুপাক খাবার থেকে বের হয়ে আস্তে আস্তে স্বাস্থ্য সম্মত মাংস রান্নার অভ্যাস তৈরি করতে হবে যদি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে চাই অন্যথায় হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়বে।
আমরা যদি শুধু স্বাদকে প্রাধান্য দিয়ে থাকি তাহলে স্বাস্থ্য হানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর যদি মসলা উপকরণের আনুপাতিক হার ঠিক রেখে পুষ্টি ও স্বাদের একটা অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটাতে পারি তাহলে পুষ্টি, স্বাদ ও স্বাস্থ্য সবই রক্ষা হলো।

লেখক : ফাউন্ডার; রন্ধন মসলা

সামি/২৬/৭/১৩.৪৫

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close