অন্যান্য

গ্রাম থেকে শহর, ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে অতিষ্ঠ ভোক্তারা

ওমেনআই ডেস্ক : প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে রাজধানী। ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ভোক্তারা। ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা বলছেন, কোম্পানিগুলোর অতি মুনাফালোভী মনোভাবের কারণেই ঘটছে এমন ঘটনা। বিতরণকারি কোম্পানি ও বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, যেকোন ধরনের সমস্যায় নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিস বা হটলাইনে যোগাযোগ করলে মিলবে সমাধান। আর গ্রাহক ভোগান্তিতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী।

এই মহামারিতেও রাজধানীতে বিদ্যুৎ বিতরণকারী অফিসে গ্রাহকদের জটলা। সবাই এসেছেন অদ্ভুত বিলের ভোগান্তি লাঘবের আশায়। অনেকের অভিযোগ, সাধারণ সময়ের চেয়ে মে মাসের বিল এসেছে দ্বিগুণ-তিনগুণ বেশি।

কোনো কোনো বিলে নেই মিটার রিডিংও। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে সমন্বয়ের নামে দেয়া হয়েছে বাড়তি বিল। ফলে আগের তিন মাসের মোট বিলের চেয়েও সবশেষ মাসের বিল এসেছে অনেক বেশি। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ডিপিডিসির শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ভুল সংশোধনে মাঠ পর্যায়ে দেয়া হয়েছে নির্দেশনা।

করোনার প্রাদুর্ভাবের পরপরপই, তিন মাসের বিলম্ব মাশুল মওকুফের ঘোষণা দেয় বিদ্যুৎ বিভাগ। কিন্তু এ সময়ে মিটার রিডিং ছাড়াই গড় বিলের নামে আসতে থাকে ভুতূড়ে বিল। এ নিয়ে শহরে কিছুটা সমাধান মিললেও ভোগান্তি কমেনি গ্রামে।

বিতরণ কোম্পানির এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। দায় চাপান বিতরণকারীদের ঘাড়ে। বিদ্যুৎ বিভাগ মনে করে, প্রিপেইড মিটার যতো বাড়বে গ্রাহকদের ভোগান্তি ততোটাই কমবে।

আরও পড়ুন

Back to top button
Close
Close